1. admin@dailyprotidinerbarta.com : admin :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর সফর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি রাজনীতি হাল নেতৃত্বের আগামী গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষে নেতা পন্থীরা। রাঙ্গামাটিতে আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের নবগঠিত জেলা কমিটির প্রথম মতবিনিময় সভা জেলা ও দায়রা জজ,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় স্লিপার বাস বন্ধ নয়, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চান মালিকরা হঠাৎ সেবা বন্ধ হলে কিস্তির চাপে নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কা, বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার নারায়ণগঞ্জে ভূমি অফিসের দুই এসিল্যান্ডসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ কদমতলী থানা রিপোর্টার্স ক্লাব ঢাকার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে মা,বোন,ভাতিজাদের জমি দখল ও দোকান ভাড়ার টাকা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ, ১২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবীসহ ৯ জনের রায়েরবাগে হাফেজী মাদ্রাসা ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন কর্ণফুলী টানেলে ব্যয় আয়ের দ্বিগুণ: সেতুমন্ত্রী

ব্রেক চাপলেও যে কারণে থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৮ বার পঠিত

দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ডেস্ক:-

 

পদ্মায় ফেরিঘাট দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে ২৬টি প্রাণ। এ দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। পন্টুন থেকে গাড়িটি হঠাৎ কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় তলিয়ে গেল এ নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। তবে এসব প্রশ্নের মধ্যে একটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে চালক নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন। তার মরদেহও উদ্ধার হয়েছে।

নিহত বাসচালকের নাম আরমান খান (৩১)। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পশ্চিম খালখুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।

দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির অপেক্ষায় থাকা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাসচালক ব্রেক চাপলেও ওই সময় কাজ করেনি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু বাসের স্টার্ট বন্ধ থাকলে পরে স্টার্ট দিয়েই ব্রেক চাপ দিলে তা মুহূর্তে কাজ করে না। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

এ রুটে দীর্ঘদিন কাজ করা মেকানিকদের দাবি, বাসটির ব্রেকের হাওয়া বা এয়ার প্রেশার শেষ হয়ে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তাদের ভাষ্য, টাটা কোম্পানির টিসি মডেলের বাসে ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে অনেক সময় ব্রেকে প্রয়োজনীয় চাপ থাকে না, ফলে গাড়ি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে।

বাসের যাত্রী আবুল কালাম ফেরিঘাটের আগে যানজটের কারণে দুর্ঘটনার দুই মিনিট আগে বাস থেকে নেমে পড়েন। তিনি বলেন, যে চালক চালাচ্ছিলেন ফেরিতে তিনিই ওঠাচ্ছিলেন। তার কোমরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝোলানো দেখেছি।

সৌহার্দ্য বাসের অন্য একজন চালক বলেন, গাড়ি স্টার্টে থাকলে হাওয়া চলে যায় না। কিন্তু স্টার্ট বন্ধ করলে হাওয়া যাবেই। মিটারে খেয়াল করলে হাওয়া কমে যাচ্ছে নাকি ঠিক আছে তা দেখা যায়। হাওয়া ওঠাতে হলে কিছু সময় আগে গাড়ি স্টার্টে রাখতে হবে। দুর্ঘটনাকনলিত বাসের চালক স্টার্ট দিয়েই হাওয়া না দেখেই টান দিয়েছেন। এ কারণে ব্রেক চাপলেও ব্রেকে কাজ করেনি।

দৌলতদিয়া বাজারের বাসের মেকানিক বাবুল ইসলাম বলেন, ব্রেকের হাওয়া একটি সিস্টেম। এই সিস্টেম কাজ না করলে চালকের কিছু করার থাকে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, ব্রেকের হাওয়া হচ্ছে এয়ার ব্রেক সিস্টেম। এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্রেকিং পাওয়া যায়। আধুনিক এই ব্রেকিং সিস্টেম কেন মাঝপথে ফেল করল তা খুঁজে বের করা দরকার।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা
Theme Customized By Shakil IT Park