1. admin@dailyprotidinerbarta.com : admin :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর সফর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি রাজনীতি হাল নেতৃত্বের আগামী গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষে নেতা পন্থীরা। রাঙ্গামাটিতে আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের নবগঠিত জেলা কমিটির প্রথম মতবিনিময় সভা জেলা ও দায়রা জজ,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় স্লিপার বাস বন্ধ নয়, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চান মালিকরা হঠাৎ সেবা বন্ধ হলে কিস্তির চাপে নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কা, বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার নারায়ণগঞ্জে ভূমি অফিসের দুই এসিল্যান্ডসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ কদমতলী থানা রিপোর্টার্স ক্লাব ঢাকার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে মা,বোন,ভাতিজাদের জমি দখল ও দোকান ভাড়ার টাকা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ, ১২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবীসহ ৯ জনের রায়েরবাগে হাফেজী মাদ্রাসা ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন কর্ণফুলী টানেলে ব্যয় আয়ের দ্বিগুণ: সেতুমন্ত্রী

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতার ইতিহাস: দেলোয়ার হোসেনের বিশ্লেষণ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

আজ ২৬ মার্চ বাংলাদেশের গৌরবময় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা দিবস আজ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরতে গিয়ে এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা, সমাজসেবী, দেশপ্রেমিক ও সাংবাদিকবান্ধব নেতা, সাংবাদিকদের নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবক, দুই, দুইবার নির্বাচিত ঢাকা প্রেসক্লাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক, পাশাপাশি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন—

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত অভিযান অপারেশন সার্চলাইট শুরু হওয়ার পর পুরো দেশ এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়, যা বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র প্রতিরোধের দিকে ঠেলে দেয়।
এই সংকটময় মুহূর্তে ২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন, যা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রেরণাদায়ী অধ্যায়।
তিনি সমগ্র দেশবাসীকে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার এবং মাতৃভূমিকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত সেই দৃঢ় ঘোষণা বাঙালি জাতির মধ্যে নতুন সাহস ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে।

এই ঘোষণার ফলে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা জাতি একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পায়। সাধারণ মানুষ, ইপিআর, পুলিশ, সেনাসদস্য ও তরুণরা দ্রুত সংগঠিত হতে শুরু করে এবং সর্বস্তরের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। দেশজুড়ে গড়ে ওঠে প্রতিরোধ, যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো হঠাৎ অর্জন নয়; বরং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিক ফল। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাধিক গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যায়।

এই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন এবং সর্বশেষ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ—প্রতিটি আন্দোলনই ছিল স্বাধীনতার ভিত্তি নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ—এই দীর্ঘ সংগ্রামই বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। প্রতিটি আন্দোলন পরবর্তী আন্দোলনের ভিত গড়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

আমাদের প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্মৃতিসৌধ হলো এমন একটি স্থাপনা বা স্মারক, যা শহীদদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে নির্মাণ করা হয়। এটি জাতির ইতিহাস, ত্যাগ ও গৌরবকে স্মরণ করার প্রতীক। বাংলাদেশে সবচেয়ে পরিচিত স্মৃতিসৌধ হলো জাতীয় স্মৃতিসৌধ, যা মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত।

তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুলে না যায়, সে জন্য স্মৃতিসৌধ একটি স্থায়ী প্রতীক হিসেবে কাজ করে। এটি মানুষকে দেশের প্রতি ভালোবাসা, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধ শেখায় এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে উদ্বুদ্ধ করে।

সেই কারণে প্রতিবছর মহান স্বাধীনতা দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে লাখো মানুষ দেশের প্রতিটি জেলা, থানা ও উপজেলায় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের স্মরণ করেন।

শহীদদের প্রতি এই সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে মানুষ ভোরবেলায় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে, দোয়া ও প্রার্থনায় অংশ নেয় এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে। বিশেষ করে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দেশের সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে, যেখানে তারা নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা
Theme Customized By Shakil IT Park